সিলেটে আইসক্রিমের নামে শিশুদের খাওয়ানো হচ্ছে ‘বিষ’!


ডেস্ক রিপোর্ট : সিলেটে কারখানায় আইসক্রিম তৈরিতে ব্যবহার করা হচ্ছে কাপড়ের রং, স্যাকারিন তারিখ ও লেবেলবিহীন ফ্লেভার। প্যাকেটজাত আইসক্রিমে নেই উৎপাদন বা মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ। আর এসব ‘বিষ’ শিশুরাই খেয়ে থাকে বেশি।

অপরদিকে, এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রয় ও মূল্য তালিকা সংরক্ষণ ও প্রদর্শন না করে বিক্রি করা হচ্ছে অতিরিক্ত দামে।  

এসব অভিযোগ সিলেটে বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) একটি আইসক্রিম ফ্যাক্টরি ও একটি এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রয়ের ৩টি দোকানে প্রায় অর্ধ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। 

জানা যায়, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পক্ষ থেকে পরিচালিত এ অভিযানে নগরীল নাইওরপুলে শিল্পী আইসবার ফ্যাক্টরিকে আইসক্রিম তৈরির সময় অনুমোদনহীন রং, তারিখ ও লেবেলবিহীন ফ্লেভার ব্যবহার এবং প্যাকেটজাত আইসক্রিমে উৎপাদনের তারিখ না দেওয়ায় ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। 

এছাড়া নির্ধারিত মূল্যের অধিক দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রয় ও মূল্য তালিকা সংরক্ষণ ও প্রদর্শন না করার অপরাধে নগরীর মিরাবাজারের কর্ণফুলী গ্যাস হাউসকে ২০ হাজার, শিবগঞ্জে চুলা ঘরকে ২ হাজার ও মেজরটিলায় সেবা এন্টারপ্রাইজকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। 

অভিযানে নেতৃত্ব দেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (মেট্রো) শ্যামল পুরকায়স্থ ও সহকারী পরিচালক মো. সেলিম মিয়া।

অভিযানে সহায়তা করে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), কনজুমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) ও স্থানীয় বাজার কমিটির সদস্যবৃন্দ।