গীর্জায় গোপনে কোরআন শরীফ রাখার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার


ডেস্ক রিপোর্ট : রাজশাহীতে বড়দিন উদযাপন শুরু আগেই একটি গীর্জায় সবার অগোচরে লাল কাপড়ে মুড়িয়ে ব্যাগে করে একটি কোরআন শরীফ রেখে আসা হয়। বিষয়টি গীর্জা কর্তৃপক্ষের নজরে এলে পুলিশকে জানানো হয়। পরে পুলিশ ওই কোরআন শরীফ উদ্ধার ও রেখে আসা ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তি নিজেকে কথিত ঈসা নবী বলে দাবি করেছেন। পুলিশের ধারনা, সাম্প্রদায়িক সংঘাতের উদ্দেশে এ কাজ করা হয়েছে।

রোববার (২৫ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে মহানগরীরর উত্তম মেষপালক ক্যাথিড্রল গীর্জায় লাল কাপড়ে মোড়ানো একটি ব্যাগ কোরআন শরীফটি রেখে পালিয়ে যাওয়া হয়। পরে পুলিশ গ্রন্থটি উদ্ধার ও রেখে আসা ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম গোলাম চৌধুরী। তিনি মহানগরীর চন্দ্রিমা থানার ছোট বনগ্রাম নিউ কলোনি এলাকার বাসিন্দা।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক জানান, রোববার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি মহানগরীর উত্তম মেষ পালক ক্যাথিড্রল গীর্জায় লাল কাপড়ে মোড়ানো একটি ব্যাগ রেখে পালিয়ে যায়।

পরে গীর্জার এক সেবিকা ব্যাগ দেখে সন্দেহ হলে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে সেই লাল ব্যাগের মধ্যে একটি কোরআন শরীফ দেখতে পান। এরপরে ডিবির একটি দল তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় সেই ব্যক্তির অবস্থান চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করে। 

পুলিশ কমিশনার সিদ্দিক জানান, গ্রেপ্তার গোলাম চৌধুরী একজন সুস্থ ও স্বাভাবিক মানুষ। তবে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি নিজেকে ঈসা নবী হিসেবে দাবি করেছেন। 

বড়দিনের ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টে দেশব্যাপী নৈরাজ্য সৃষ্টির করার জন্যই তিনি গীর্জায় কোরআন শরীফ রেখে আসে বলে জানান পুলিশ কমিশনার সিদ্দিক।

সূত্র : একাত্তর টিভি