ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফলতার স্বপ্ন বুনছেন গোলাপগঞ্জের রাসেল


সামিল হোসেন : আগামীর পৃথিবীটা তথ্যপ্রযুক্তির। সামনে এগিয়ে যেতে হলে থাকতে হবে সঠিক তথ্যপ্রযুক্তির জ্ঞান। গদবাঁধা বই পড়ে সবাই চাকরি নামক সোনার হরিণ ধরতে পারছেন না। ফলে সৃষ্টি হচ্ছে বেকারত্ব। হতাশায় ভেঙে পড়ছে কর্মক্ষম যুবকরা। তবে অন্য সব যুবক থেকে ভিন্ন সৈয়দ রাসেল আহমদ। বাড়ি সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাঘা ইউনিয়নে । চাকরির পেছনে না দৌড়ে ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছেন ফ্রিলান্সিংকে পাশাপাশি করছেন ইউটিউবিং।

সম্প্রতি এই ফ্রিলান্সার সৈয়দ রাসেল আহমদের সাথে জি ভয়েস টোয়েন্টিফোর এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ছোট বেলা থেকেই ইচ্ছা ছিল আইটি নিয়ে কাজ করার। কারো অধীনস্থ না করে নিজেকে নিজের বস হিসেবে গড়ে তোলার প্রক্রিয়া এটি। আর শান্তিপূর্ণ জীবন চলার জন্যই ফ্রিলান্সিং বেছে নেয়া !

কেন চাকরি না করে ফ্রিলান্সিংকে ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চাকরির পেছনে না ছুটে স্বকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উদ্যোক্তা হিসেবে অন্যদের জন্যও কর্মসংস্থান গড়লে কমবে দেশের বেকারত্ব। 

এ ব্যাপারে বেকার তরুণদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন , চাকরি নামক সোনার হরিণের দিকে না দৌড়ে মুক্তপেশা ফ্রিলান্সিংয়ে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ অবারিত। নিজেকে প্রমাণ করার জায়গা এটি। স্বপ্নচারী তরুণদের পদচারণায় মুখরিত এই পেশা। এ সময় বেকার তরুণদের ফ্রিলান্সিংয়ে আহ্বানও জানান তিনি।

তিনি মনে করেন, প্রতিটি মানুষের সততা ঠিক রেখে কাজ করা উচিত। পরিশ্রম মানুষকে সফলতার চূড়ায় নিয়ে যায়। সততা ও ধৈর্য ধরে পরিশ্রম করলে সফলতা আসবেই।