পাঠকের হাতে ‘ডিজিটাল দৈনিক’ নয়া শতাব্দী


জি ভয়েস ডেস্ক :: ‘সত্যের নতুন সারথি’ স্লোগানে যাত্রা শুরু করল দেশের প্রথম ডিজিটাল জাতীয় দৈনিক নয়া শতাব্দী। এরই মধ্য রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ৬৪ জেলায় পাঠকের হাতে পৌঁছে গেছে নয়া শতাব্দীর উদ্বোধনী সংখ্যা।

দেশের একমাত্র ডিজিটাল দৈনিক, দৈনিক নয়া শতাব্দীকে স্বাদরে গ্রহণ করেছে পাঠকরা। নতুনত্বের সঙ্গে নতুন কিছু পেয়ে খুশি তারা।

এর আগে শনিবার (১১ ডিসেম্বর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে পত্রিকাটির উদ্বোধন ঘোষণা করেন, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতীক)। জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম।

নয়া শতাব্দীর প্রিন্ট ভার্সনের কিউআরকোর্ডের মাধ্যমে অডিও-ভিডওসহ সকল লাইভ আপডেট পাবে পাঠকরা। এছাড়াও অনলাইনে ২৪ ঘণ্টায় পাওয়া যাবে সকল সংবাদের আপডেট।

নয়া শতাব্দীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতীক) বলেন, সাংবাদিক সমাজ জাতীকে সঠিক পথ দেখায়। আমরা নয়া শতাব্দীর কাছ থেকে সঠিক খবরগুলো পাব। যাতে দেশ ও জাতী উপকৃত হয়। সেই সাথে আপনাদের সংবাদের মাধ্যমে বাংলাদেশ যেন জেগে ওঠে সেটাই কামনা করছি।

উদ্বোধনী বক্তব্যে দৈনিক নয়া শতাব্দীর সম্পাদক মোহাম্মদ নাঈম সালেহীন বলেন, বিগত দিনে দেশের পত্রিকার প্রিন্ট ভার্সনে অনেক ইনপুট হয়েছে। তারপরও কিন্তু নতুন প্রজন্ম পত্রিকা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। নয়া শতাব্দী তরুণ প্রজন্মকে কাছে টানতে দীর্ঘ গবেষণা, দীর্ঘ প্রচেষ্টা ও কারিগরি সহায়তায় দেশের প্রথম ডিজিটাল দৈনিক পত্রিকা নিয়ে এসেছে। কিউআর কোড এর মাধ্যমে পত্রিকার পাশাপাশি ভিডিও ও অডিও শুনতে পারবে। সেই সাথে সকল খবর জানতে পারবেন। কেননা ১২ পাতার পত্রিকায় সব খবর দেয়া সম্ভব না। নয়া শতাব্দী এমন একটি পত্রিকা যা সরাসরি ডিজিটাল কানেক্ট থাকবে ওয়েবের সাথে। একই সাথে আমরা একটা ডিজিটাল কর্নার করেছি যার প্রতিটি সেগমেন্ট স্ক্যান করে সরাসরি ওয়েবসাইটে চলে যেতে পারবেন। বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে কিউআর কোডের মাধ্যমে সহজেই স্বল্প খরচে বিজ্ঞাপন দিতে পারবেন।

প্রকাশক মোহাম্মদ ওয়ালিউর রহমান বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে দেশে যখন অনেক পত্রিকা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এই সময়ে আমরা অনেক বড় সাহস দেখিয়েছি সংবাদপত্রকে ভালোবাসি বলেই। আমরা সত্যকে প্রকাশ করতে চাই, সেই সাথে সত্যকে ধারণ করতে চাই। আমরা চাই বাংলাদেশের প্রতিনিটি মানুষ যেন বলে এটা একটি ভালো পত্রিকা।

উপ সম্পাদক জিয়া আহমেদ বলেন, নয়া শতাব্দী কোন একটা পত্রিকা না, এটাকে আমরা বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট, বিভিন্ন ফাংশন, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে বিভিন্ন পেক্ষাপটে উপস্থাপন করতে চাই। সেই সাথে নয়া শতাব্দীর মাধ্যমে সবাইকে সজাগ করতে চাই। যার মাধ্যমে সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতি ও রাজনীতির বিষয় তুলে ধরা হবে।