গোলাপগঞ্জের সন্ত্রাসীদের হামলায় ২ দিনমজুর আহত


জাহেদুর রহমান জাহেদ : গোলাপগঞ্জের পল্লীতে সন্ত্রাসীদের হামলায় দিনমজুর দুই সহোদর গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি গত ১৫ এপ্রিল বিকাল ৩ টায় উত্তর বাদেপাশা ইউনিয়নের খাগাইল গ্রামে তাদের বসতভিটা সংলগ্ন কৃষি জমিতে ঘটে।

এঘটনায় গোলাপগঞ্জ উপজেলার উত্তর বাদেপাশা ইউনিয়নের খাগাইল গ্রামের আহত আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী স্বপ্না বেগম (২৬) বাদী হয়ে গত ৫ মে গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় ৬ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ২, তারিখ ৪/৫/২০২২।

বিবাদীরা হচ্ছেন খাগাইল গ্রামের মৃত বাবুর আলীর ছেলে এনামুল হক এনই(৩৮), সুহেল মিয়া (৪৫), এনামুল হকের ছেলে আলমাছ উদ্দিন (২২), মনিয়া মিয়ার ছেলে ফাহিম আহমদ (২২), রাবেল (১৮), মৃত বাবর আলীর ছেলে মনিয়া মিয়া(৫০)।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে গুরুতর আহত আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী স্বপ্না বেগম প্রতিবেদককে জানান গত ১৫ এপ্রিল আমার বসতভিটা সংলগ্ন কৃষিজমিতে তার স্বামী আনোয়ার হোসেন ও দেবর দেলোয়ার হোসেন কৃষি কাজে নিয়োজিত ছিলেন।

এ সময় এজহার ভুক্ত আসামীরা জমি নিয়ে পূর্ব বিরুধের জের ধরে অতর্কিতভাবে দেশীয় ধারালো অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে তাদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে এবং এলোপাতাড়ি কুপাতে থাকে।

এতে তার স্বামী আনোয়ার হোসেন ও দেবর দেলোয়ার হোসেনের বাম হাতের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম ও রক্তাক্ত করে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।

তিনি ও তার পরিবারের লোকজন হঠাৎ চিৎকার শুনে সামনে এগিয়ে গেলে দেখতে পাই আমার স্বামী ও দেবর গুরুতর জখম ও রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে রয়েছেন।

তখন স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাদের উদ্ধার করে তিনি তার ননদ প্রথমে গোলাপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের অবস্থা আশঙ্কজনক দেখে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। তারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
 
সন্ত্রাসীরা আমার স্বামী ও দেবরকে মামলা তুলে নেয়ার জন্য বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। আমরা এখন জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে খুবই দুশ্চিন্তায় রয়েছি। আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে প্রসাশনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কুশিয়ারা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের তদন্তকারী কর্মকর্তা ফখরুল আলম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার করতে পুুলিশী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।